Latest Notice

২০১৪-২০১৫শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেনির বার্ষিক পরীক্ষা
অধ্যক্ষের কার্যালয় চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম বিজ্ঞপ্তি তারিখ : ০৫.০৪.২০১৫ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেনিতে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের বার্ষিক পরীক্ষা এপ্রিল ২০১৫ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আরম্ভ হবে। শিক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হল। পরীক্ষার সময়সূচী পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি মারফত জানানো হবে। (প্রফেসর জেসমিন আক্তার) অধ্যক্ষ চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম

Teachers etc data
বরাবর সম্মানিত বিভাগীয় প্রধান সকল বিভাগ চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম। বিষয়: কলেজের ডাইনামিক ওয়েবসাইটে আপলোড করার জন্য বিভাগের তথ্য প্রেরণ প্রসংগে। মহোদয়, আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে, চট্টগ্রাম কলেজের ওয়েবসাইটের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচেছ। শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নিদের্শনা অনুযায়ী উক্ত ওয়েবসাইটে আপলোড করার জন্য আপনার বিভাগের বিভিন্ন তথ্য জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন। তথ্যের শিরোনামসমুহ নি¤œরূপ: ১. বিভাগীয় সেমিনার লাইব্রেরিতে রক্ষিত বইয়ের তালিকা (হার্ড ও সফ্ট কপি) ২. বিভাগে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকবৃন্দের (ছবিসহ) তালিকা (হার্ড ও সফ্ট কপি) ৩. বিভাগের প্রাক্তন সহকর্মীবৃন্দের (ছবিসহ-যদি থাকে) তালিকা (হার্ড ও সফ্ট কপি) ৪. বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, শিক্ষাসফর, বিদায়-বরণ, গবেষণাগার ইত্যাদির ছবি (হার্ড/সফ্ট কটি) উক্ত তথ্যসমূহ প্রেরণের জন্য একটি করে “নমুনা তথ্যফরম” প্রেরণ করা হলো। উক্ত তথ্যসমূহের হার্ড কপি এবং সফ্ট (এক্সেল ফরমেট) কপি আগামী 28 মার্চ ২০১৫ খ্রি. তারিখের মধ্যে প্রেরণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচিছ। আপনার বিশ্বস্ত আহবায়ক ডাইনামিক ওয়েবসাইট উন্নয়ন কমিটি চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম। সংযুক্ত করা হলো: ১. ফরম নম্বর: ১০৩ (বিভাগের বইয়ের তালিকা) ২. ফরম নম্বর: ১০৪ (সম্মানিত কর্মরত শিক্ষকবৃন্দের তথ্য) ৩. ফরম নম্বর: ১০৫ (সম্মানিত প্রাক্তন শিক্ষকবৃন্দের তথ্য) ৪. ফরম নম্বর: ১০৬ (বিভাগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি প্রেরণের তথ্য)

Latest Event

Website & Software Development
Our Website & Software Development project is in under progression.

Poll

 Good
 Better
 Not bad
 Best

স্বাগত

১৮৩৬ সালে চট্টগ্রাম জেলা স্কুল হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম। প্রতিষ্ঠালগ্নের তেত্রিশ বছর পরে ১৮৬৯ সালে একে উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়। তখন থেকেই এটি চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ বা চট্টগ্রাম কলেজ নামে পরিচিত হয়। বর্তমান চট্টগ্রাম এর চকবাজারের কলেজ রোডের পাশের প্যারেড গ্রাউন্ডের এক কোনের একটি পর্তুগিজ আমলের স্থাপনায় এই কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। কলেজে উন্নীত হবার পরে জনাব জে সি বোস এর প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ১৯০৯ সাল থেকে এই কলেজে কলা বিভাগের পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগ চালু করা হয়। ১৯১০ সালে এই কলেজটি তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রী কলেজের স্বীকৃতি লাভ করে। সেই অনুযায়ী এই কলেজ থেকে গনিত, রসায়ন বিজ্ঞান ও পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের বিষয় সমূহ সম্পর্কে পাঠদান আরম্ভ হয়। ১৯১৯ সাল থেকে স্নাতক শ্রেণীর বিষয় সমূহে ইংরেজি এবং সম্পূরক শ্রেণীতে দর্শন এবং অর্থনীতি যোগ করা হয়। ১৯২৪ সালে এই কলেজে প্রথম মুসলিম প্রিন্সিপাল হলেন শামসুল ওলামা কামালুদ্দিন আহমদ। তার আমলে কলেজ দ্রুত উন্নতি লাভ করে। শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক এই সময় মুসলিম হোস্টেল এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। শামসুল ওলামার সময়ে ই কলেজ ম্যাগাজিন প্রকাশ করার রেওয়াজ শুরু হয়। তার সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে সহশিক্ষার প্রবর্তন। ১৯২৬ সালে এই কলেজের প্রথম ছাত্রাবাস প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৫৫ সালে স্নাতক শ্রেণীর যাবতীয় বিষয় সমূহ প্রত্যাহার করা হলেও ১৯৬০ সাল থেকে পূনরায় ইংরেজি, বাংলা, অর্থনীতছিত্তাগন পদাথ, রসায়ন এবং গনিতে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর বিষয়সমূহ চালু করা হয়। ১৯৬২ সাল থেকে প্রাণীবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা এবং পরিসংখ্যান এ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণী চালু করা হয়। ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৫ এর মাঝে ব্যাপক হারে অবকাঠামোগত পরিবর্তন ও পরিবর্ধন সাধন করা হয়। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অধীনে এর বিজ্ঞান গবেষনাগার এর উন্নয়ন সাধন, নতুন প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, নতুন ছাত্রাবাস নির্মাণ এবং পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান অনুষদের জন্য আলাদা ভবন নির্মাণ করা হয়। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর চট্টগ্রাম কলেজ এর আওতাভুক্ত হয়। বর্তমানে এটি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উচ্চ মাধ্যমিক সনদের পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণীবিদ্যা, গনিত, পরিসংখ্যান, ভূগোল, ইতিহাস, রাজনীতি বিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদান ও সনদপ্রদান করে থাকে।